• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নীলফামারীর ১০ কলেজে পাশ করেনি কেউ

সিসি নিউজ।। নীলফামারী জেলায় এইচএসসি পরীক্ষায় ১০টি কলেজের কোন শিক্ষার্থী পাস করেনি। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ফলাফলে ওই তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবারের এইচএসসি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে ৪৩টি কলেজের কোন শিক্ষার্থী পাশ করেনি। এসব কলেজের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৮২ জন। ওই ৪৩ কলেজের মধ্যে নীলফামারী জেলার রয়েছে ১০টি কলেজ। এসব কলেজের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪০ জন। এছাড়া জেলার একটি কলেজের ৪জন শিক্ষার্থীর মধ্যে সকলেই পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন। ফলে সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাসের হারও শূন্য।

জেলার শতভাগ ফেল করা কলেজগুলো হলো সদর উপজেলার লক্ষ্মীচাপ সৃজনশীল কলেজ (মানবিক বিভাগে ১জন পরীক্ষার্থী), সৈয়দপুর উপজেলার সাতপাই স্কুল এন্ড কলেজ (মানবিক বিভাগের ১জন), কিশোরগঞ্জ উপজেলার নয়নখাল স্কুল এন্ড কলেজ (মানবিক বিভাগের ৮ জনের মধ্যে ৫জন ফেল, ৩জন অনুপস্থিত), জলঢাকা উপজেলার বগুলাগাড়ী স্কুল এন্ড কলেজ (মানবিক বিভাগের ১৮ জনের মধ্যে ১৫ জন ফেল, অনুপস্থিত ৩), একই উপজেলার চাওড়াডাঙ্গী স্কুল এন্ড কলেজর (মানবিক বিভাগের ৬ জনের মধ্যে ৩জন ফেল, অনুপস্থিত ৩ জন), গোলমুন্ডা আদর্শ কলেজ (মানবিক বিভাগের ৩ জন), ডিমলা উপজেলার জেলা পরিষদ স্কুল এন্ড কলেজ (বিজ্ঞান বিভাগের ১জন ও মানবিক বিভাগের ১জন), একই উপজেলার নাউতারা বালিকা স্কুল এন্ড কলেজ (মানবিক বিভাগের ৩ জন), ডিমলা সীমান্ত কলেজ (মানবিক বিভাগের ২জন), গয়াখড়িবাড়ি মহিলা কলেজ (মানবিক বিভাগের ৩ জনের মধ্যে ২জন ফেল, অনুপস্থিত ১জন)। এছাড়া ডিমলা উপজেলার আদাবাড়ী স্কুল এন্ড কলেজের মানবিক বিভাগের ৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে শতভাগ অনুপস্থিত ছিল পরীক্ষায়।

ফল বিপর্যয়ের বিষয়ে জলঢাকা উপজেলার চাওড়াডাঙ্গী স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মনমোত রায় বলেন,‘কলেজের এমপিও এখনো পাওয়া যায়নি। বেতন ভাতা না পাওয়ায় ১১ শিক্ষক বেশিরভাগ অনুপস্থিত থাকেন। তার পরেও অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২জন ১ বিষয়ে এবং ১ জন ২ বিষয়ে ফেল করেছে’।

জেলা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্র মতে, এবছর নীলফামারী জেলার ৯৩টি কলেজের ১২ হাজার ১৮৯ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এরমধ্যে পাস করেছে ৭ হাজার ৫২৪ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৮১ জন। পাশের হার শতকরা ৬১ দশমিক ৭৩ শতাংশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ